Thursday, 9 December 2021

রাতের ডায়রি


আজ ১০ ই ডিসেম্বর, 
মাঝে মাঝে খুব হাউমাউ কটে কেঁদে উঠতে ইচ্ছে করছে।কেনই বা করবে না বলো, আমার নিজের হাতে গড়া এত বছরের সংসারটা আজ ছিন্ন বিন্ন হয়ে পড়ে আছে।কায়েসের বড় একটা সুযোগ এসেছে ইউরোপে, এইতো হাতে গোনা দু চারদিনের মধ্যেই হয়তো উড়াল দিবে নতুন শহরের নতুন গলিতে। এ নিয়ে চার বার এমন হলো পুরো সংসারটা তছনছ হশে গেলো।হুম জানি অনেক বড় সুযোগ,সব কিছু চেন্জ হয়ে যাবে।কিন্তু মন তো মানছে না।  খনে খনে বিষাদে মন ভরে উঠছে। একটু আগে এক কাপ চা চেয়েছে।  অভ্ঢ়াস নাই চা খাওয়ার কিন্তু কেন জানি ইদানিং খাচ্ছে, আমি না করি নি, এমন হয়ে গেছে মন চাও বানাতে ইচ্ছা করছে না। আগে বড় শান্ত ছিলাম, আসলে বয়স ছিলো কম, মনও ছিলো শান্ত আর এখন একটু তেই রেগে উঠি।।এই যে শান্ত মনে চায়ের পেয়ালায় চুক চুক করে চুমুক দিচ্ছে, কে বলবে একটু আগেই আমার কাক ফাটা চিৎকার চুপ করে শুনেছে। সবকিছু তেই এত ঠান্ত্ডা কিভাবে মানুষ থাকে আার তো বোঝা দায়।।এত পেরেশানি তে যে মন খুলে একটু কাদবো তা আর হয়ে উঠছে না, ছিচকাদুনের মত এই এসে কেদে আবার হয় চুলার পাঠে ঢ়েতে হচ্ছে আর নয়তো সূদুর পাড়ে সব পাঠাতে গুছানোর কাজে নামতে হচ্ছে। ওহ্ যাই তো আজ আবার খাসির মাংসের রেজালা আর পোলাও খেতে চেয়েছে, রান্না করে ফেলি।

Saturday, 25 February 2017

Indonesian Saiyur Hijao

Saiyur Hijao মানে হইলো শাক ঝোল, Saiyur means - শাক আর Hijao means - ঝোল. Saiyur Hijao আমরা যেমন শাক রান্না করি তেমনি এশিয়ান অন্য দেশগুলোতে যেমন: ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়াতেও শাক রান্না করে, তবে তা আমাদের মতো ভাজি না ঝোল ঝোল এবং তাতে মুরগি এবং চিংড়ি দুটোই থাকে, শুনলে মনে হয় এ আবার কি মুরগি এবং চিংড়ি এক সাথে কিন্তু স্বাদটা আসলেই মজার আমার খেতে ভালোই লাগে সাথে আমার বরেরও। ও বেচারার আমাকে নিয়ে ঘুরতে আসলে অনেক বিপদে পরে, বিশেষ করে খাবার নিয়ে আহারে বেচারা, তারপরও চুপ করে থাকে কিছুই বলে না।

যাইহোক Saiyur Hijao - র রেসিপি বলতে এসে গল্প শুরু করে দিলাম,চলো তাইলে এখন দেখেনি Saiyur Hijao - বানাতে কি কি লাগে:

যা যা লাগবে:
শাক : ২ আটি বা পরিমান মতো ;
গাজর : ১/২টি (লম্বা চিকন করে কাটা) ;
রসুন : ৪ কোয়া (কুচি কুচি করে কাটা ) ;
পিঁয়াজ : একটি (চাক চাক ফালি করা) ;
মরিচ : ২টি (ফালি করে কাটা) ;
মুরগি : বুকের মাংস (ছোট ছোট পিস করে কাটা ) ;
চিংড়ি : ৬ থেকে ৭ টি (মন মতো) ;
Maggi চিকেন স্টক: Optional (যদি মন চায় ) ;
লবণ : পরিমাণ মতো ;
তেল : খুবই সামান্য ;
পানি : পরিমাণ মতো।

রন্দ্রন:
প্রথমে চুলায় কড়াই দিয়ে তাতে তেল দিয়ে গরম করতে হবে। এরপর এতে রসুন দিয়ে হালকা ভাজা ভাজা করতে হবে , রসুন ভাজার ঘ্রান বের হয়ে গেলেই চুলার জাল কমিয়ে তাতে কিউব করা মুরগির পিস এন্ড এরপর তাতে চিংড়ি দিয়া হালকা ভাজা ভাজা করতে হবে। এখন এতে মরিচ দিয়ে হালকা নাড়াচাড়া করে পিয়াজ আর ফালি গুলো দিয়ে আরেকটু নাড়াচাড়া করে তাতে পানি দিয়ে দিতে হবে। পানি আপনার প্রয়োজন মতো দিয়া ডেকে দিতে হবে। এবং জাল বাড়ায় দিতে হবে , পানি কমায় আসলে এখন শাক দিয়ে  নাড়াচাড়া করতে হবে এখন লবন দিয়া টেস্ট করে নামায় নিন।

*** যদি Maggi চিকেন স্টক ব্যবহার করা হয় তাইলে লবন ব্যবহার না করাই ভালো।



Sunday, 8 May 2016

শামী কাবাব

শামী কাবাবের রেসিপি :

উপকরনঃ- ছোলার ডাল- ১ কাপ,
পেয়াজ কুচি- ২ টি,
পুদিনা পাতা কুচি- ১ টেবিল চামচ,
ধনে পাতা কুচি- ১ টেবিল চামচ,
কাঁচা মরিচ কুচি- ১ চা চামচ,
ধনিয়া গুড়ো- ১ চা চামচ,
মরিচের গুড়ো- আধা চা চামচ,
আদা বাটা- আধা টেবিল চামচ,
গরম মসলা গুড়ো- আধা চা চামচ,
বেসন- হাফ কাপ,
তেল ভাজার জন্য,
লবন- স্বাদ মত !!! 

পদ্ধতি:
ছোলার ডাল আগে থেকে ভিজিয়ে রাখতে হবে। লবন দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে ডাল। এবার হাত দিয়ে চটকে নিতে হবে। অর্ধেক বেসন আর বাকি সমস্ত উপকরন ডালের সাথে মিশিয়ে নিন ভালো করে।এবার হাতের তালুতে ডালের মিশ্রণ নিয়ে গোল গোল করে কাবাবের শেপ দিন। 

এবার বাকি বেসন অল্প লবন আর পানি দিয়ে গুলে নিন একটা বাটিতে। একটা একটা কাবাব এই মিশ্রনে ডুবিয়ে ডুবো তেলে ভেজে নিন গোল্ডেন ব্রাউন করে। 

টমেটো জুস

টমেটো জুস:

টমেটো -----২৫০ গ্রাম
পানি ---২ গ্লাস 
লেবু – ১ টা ছোট
পুদিনা পাতা –৩/৪ টা 
উপকরণঃ
টমেটো ও লেবু ভাল করে ধুয়ে কেটে নিতে হবে। তারপর ব্লেন্ডারে টমেটো ও পুদিনা পাতা নিতে হবে। লেবু চিপে নিবেন।

সব একসাথে পানি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। ছেঁকে পরিবেশন করুন।

মুরগি মাশালা

মুরগি মাশালা (তেল ছাড়া):

উপকরনঃ মুরগির মাংস- মাঝারি আকৃতির হাফ মুরগি
· লেবুর রস- ২ চা চামচ
· পেঁয়াজকুচি – বড় ১ টি
· কাঁচা মরিচ কুচি- ২টি 
· রসুন মিহি কুচি- ২ কোয়া 
· আদা মিহি কুচি- ১ চা চামচ
· সিরকা- ১ চা চামচ
· টক দই- ১০০মিলি
· মরিচ গুঁড়া- ১ চা চামচ
· জিরা গুঁড়া- ১ চা চামচ 
· ধনে গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
· পাপ্রিকা গুঁড়া- ১/২ চা চামচ 
· গরম মশলা গুঁড়া- ১/৪ চা চামচ
· লবন – স্বাদমত
প্রণালী: একটি বাটিতে মুরগি টুকরো করে নিতে হবে। তাতে লেবুর রস, কাঁচামরিচ কুচি, আদা রসুন কুচি, সিরকা আর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে মেখে ১ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। অন্য একটি বাটিতে টক দই এর সাথে লবন,ধনে,জিরা,মরিচ,পাপ্রিকা,গরম মশলা গুঁড়া ভাল করে মিশিয়ে মেরিনেট করে মুরগি গুলোতে মিশিয়ে আরও ১০ মিনিট রেখে দিতে হবে। একটি নন স্টিক হাঁড়ি গরম করে মেখে রাখা মুরগি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। মুরগি থেকেই পানি বের হবে। ৫ মিনিট পর সামান্য একটু পানি দিয়ে কম আঁচে ১৫ মিনিট রান্না করতে হবে। ঝোল শুকিয়ে প্রায় মাখা মাখা হয়ে আসলে নামিয়ে ফেলুন। ব্যাস তৈরি হয়ে গেল মুরগি মাশালা। যদি কাউকে না বলা হয়ে কেউ বুঝতেই পারবে না এটাতে তেল দেয়া হইনি।


Friday, 6 May 2016

সাদা খিচুড়ি

খিচুড়ি খাওয়ার ধুম পড়ে বর্ষায়। বৃষ্টির হওয়া মানেই খিচুড়ির সঙ্গে ইলিশ ভাজা। তাই বলে কি বর্ষা ছাড়া খাওয়া হবে না খিচুড়ি? কিন্তু সাদা খিচুড়ির কথা কি কখনো শুনেছেন। শুনতে অবাক শোনা গেলেও সাদা খিচুড়িও রান্না করা সম্ভব। 
যে সব উপকরণ লাগবে- 
বাসমতি চাল ৩/৪ কাপ, 
গোটা মুগ ৩/৪ কাপ, 
ঘি ১ ১/২ চামচ, 
জিরা ১ চা চামচ, 
লবঙ্গ ৩টি, 
দারচিনি ১ টুকরা, 
গোলমরিচ ৪-৫টি, 
এলাচ ৩টি, 
কারিপাতা ৪-৫টি, 
কাজুবাদাম ২ টেবিল চামচ, 
লবণ স্বাদ মতো, 
কাঁচামরিচ ৩-৪টি, 
নারকেল কোরা ১ টেবিল চামচ।
প্রণালী-
চাল ও গোটামুগ ডাল ভাল করে ধুয়ে ঘণ্টা দুয়েকের জন্য রেখে দিন ভালোভাবে পানি ঝরতে।
এরপর প্রেশার কুকারে ঘি গরম করে জিরা-ফোড়ন দিলে ফুটতে আরম্ভ করবে। তখন এতে লবঙ্গ, এলাচ, গোলমরিচ, কারিপাতা দিয়ে দু’মিনিট নাড়ুন। এরপর কাজু বাদাম দিয়ে কয়েক সেকেন্ড ভেঁজে নিয়ে এতে দিন নারকেল কোরা, ধুয়ে রাখা চাল ও মুগডাল। পানিও দিন তিন কাপ পরিমাণ।
এরপর প্রেশার কুকারের ঢাকনা দিয়ে দিন। বেশি আঁচে রাখুন এক হুইসেল দেয়া পর্যন্ত। এরপর আঁচ কমিয়ে দিন। তারপর আরেকটা হুইসেল দিলে চুলা নিভিয়ে ঢাকনা খুলে খিচুড়ির উপর ধনেপাতা ছড়িয়ে দিন।
এবার সার্ভিং ডিশে সালাদ ও আঁচারের সাথে সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন পছন্দের কাবাব, ডিম/মাছ ভাঁজি বা ডিম/মাংসের ভুনার সাথে। পরিবারের সবাই মিলে উপভোগ করুন সাদা খিচুড়ি।

অন্থুন

স্যুপের সাথে সবার আগে কীসের কথা মনে পড়ে? অবশ্যই অন্থুন। অন্থুন বা ওনটোন যে নামেই উচ্চারণ করুন না কেন এই খাবারটা কিন্তু আমাদের দারুণ প্রিয়। 

স্টাফিংয়ের উপকরণঃ
– ১০০ গ্রাম রান্না করা চিকেনকুচি,
– ১ টেবিলচামচ পেঁয়াজকুচি,
– স্বাদমতো লবণ,
– আধ চা চামচ টেস্টিং সল্ট,
– ২টি ডিমের সাদা অংশ ফেটিয়ে রাখা,
– পুদিনা কুচি ইচ্ছামত

অন্থুন শিটের উপকরণঃ

– ২০০ গ্রাম ময়দা,
– ২ টেবিলচামচ কর্নফ্লাওয়ার,
– ২টি ডিম,
– সয়াবিন তেল

প্রণালীঃ
– ময়দার সঙ্গে কর্নফ্লাওয়ার মিশিয়ে তাতে ডিম দিয়ে সামান্য পানি দিয়ে মেখে মন্ড তৈরি করে নিন।
– এবার একটি ঠান্ডা জায়গায় ভেজা কাপড়ে মুড়ে মন্ডটি ৩০ মিনিট রেখে দিন।
– স্টাফিংয়ের সমস্ত উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন।
– এবার মন্ড থেকে সামান্য অংশ নিয়ে পাতলা করে বেলে নিয়ে চারকোনা করে করে কেটে নিন।
– এবার স্টাফিংয়ের সামান্য অংশ নিয়ে রুটির ওপর রেখে পছন্দমতন আকারে তৈরি করে নিন। মুখগুলো ডিম দিয়ে বন্ধ করে দিতে পারেন। এটি অনেকটা নৌকার আকারে গড়ে নিন, মুচমুচে বেশি হবে। চাইলে থলের আকারেও গড়তে পারেন। এভাবে যতগুলি হয় গড়ে নিন।
– এবার ডিপ কড়াইতে তেল দিন। তেল গরম হলে ডিপ ফ্রাই করে নিন। বাদামী হয়ে এলে তেল ঝড়িয়ে তুলেন নিন। টমেটো সস বা চিলি সসের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন।